বিষফোঁড়া

সাইফুল বাতেন টিটোর "বিষফোঁড়া" বইয়ের পিডিএফ কপি দ্বিতীয়বার পড়ে উঠলাম। এদেশে এমনই হয়, গরীব মা বাপ তথাকথিত জান্নাত লাভের আশায় ছেলেকে পাঠায় মাদ্রাসা নামক বিষফোঁড়ায়। ধর্ম ইসলামে একটা কনসেপ্ট আছে যে ছেলে হাফেজ বা আলেম হলে সে নাকি তার বাপ মা ও নিকট আত্মীয়দের তথাকথিতঅলৌকিক জান্নাতে নিয়ে যাবে, অর্থাৎ ছোট ছেলেটার উপরে ভার দেওয়া হয় ১৪ গুষ্টির পাপ মুছে জান্নাতে নেওয়া লাগবে। মাদ্রাসা বাদ দিলাম, হিন্দুদের মন্দিরে কি কম হয়? মাদ্রাসার মত সেগুলোও ঢেকে ফেলা হয় গহীন অন্ধকারে। ধরা পড়ে সেইসব, যেগুলো মোটামুটি প্রকাশ্যে আসে। মূলত, এদেশের হিন্দু মুসলিম তাদের মন্দির মাদ্রাসাকে মাথায় তুলে রেখেছে, আর সেসব পায়ুকামী ভন্ড মোল্লা পুরোহিতরা বানিয়ে রেখেছে বলাৎকারী কারখানা। যতদিন এগুলো না উঠবে, এদেশ কখনোই সভ্য হবেনা। তবে এদেশে যেহেতু মোল্লারা বেশি অর্থাৎ মাদ্রাসা বেশি, তাই পুরোহিতদের থেকে মোল্লারা এক্সপোজড হয় বেশি। আর এ নিয়ে বললেই তথাকথিত তাওহীদ জঙ্গী জনতা ক্ষেপে যায়, "শুধু মাদ্রাসার পেছনে ক্যান লাগছি, মন্দিরও তো আছে।" আরে মিয়া, এদেশে যেমন মোল্লারা ধরা খায়, ইন্ডিয়ায় তেমন পুরোহিতরা ধরা খায়। এদের ভন্ডামি নিয়া ধ্রুব রাঠীর ভিডিও আছে ইউটিউবে, দরকার হলে আপনার নেট খরচ করে আপনি দেখে আসেন। একই কাজ ঐদেশেও হয়। কোনো পুরোহিত এক্সপোজড খাইলে উত্তেজিত হিন্দু তৌহিদী জঙ্গী জনতা বলে "আরে আব্দুলরা কত কি করে দেখিস না?" যেদিন দেশ থেকে সব ধর্ম গায়েব হবে, মানুষের আসল টনক নড়বে, সেদিনই এসব অপকর্ম বন্ধ হবে। বাকি গল্পটা পড়লেই বুঝবেন। বইটির পিডিএফ সংস্করণ ডাউনলোড করে নিন এখানে ক্লিক করে।
কালবেলার সংবাদ লিংক এখানে
শুধু মোল্লা নয়, একজন পুরোহিতদের কর্মকাণ্ড এখানে

0 Comment:

Post a Comment

আপনার যৌক্তিক মতামত লিখুন...