বিরক্তিকর ইন্টারনেট ব্রাউজার।

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে সবথেকে বেশি ছ্যাঁচড়া হলো ক্রোম। অন্যান্য গুগল অ্যাপও কম ছ্যাঁচড়া নয়। যেমন আজ দেখলাম, ক্রোম একাই ৩৮ টা পারমিশন নিয়ে বসে আছে। শুধু ফাইল টেবিলে অ্যাকসেস রেখে আর সবগুলো পারমিশন সরিয়ে দিয়েছি। তার উপর ক্রোমের বদভ্যাস হলো সব পেজ ক্যাশে রেখে স্টোরেজ ভরে ফেলবে। আরো কিছু সমস্যা ইদানিং তৈরি হয়েছে যেমন সঠিকভাবে সব ওয়েবসাইটের সিএসএস রেন্ডার করতে পারেনা এর ব্লিংক ইঞ্জিন। গতকাল ক্লাউডফ্লেয়ারের ড্যাশবোর্ডে গিয়ে দেখি বাম পাশের নেভিগেশন প্যানেলের সিএসএস রেন্ডার না করায় ভেঙ্গে পুরো পৃষ্ঠায় ছড়িয়ে পড়েছে, কি বিচ্ছিরি! পরে সেভ করা এপিকে ফাইল দিয়ে KiWi ব্রাউজার ইনস্টল করে দেখি কাজ হচ্ছে। KiWi ও ক্রোমিয়ামভিত্তিক ব্রাউজার, তাও ক্রোম কেন রেন্ডার করতে পারছে না অজানা। হতে পারে ক্রোমের পুরোনো সংস্করণ ব্যাবহার করছি তাই, অথবা বিশেষ বিশেষ ডিভাইসে সমস্যা। আবার কয়েকদিন অপেরা মিনি ব্যাবহার করেও কেন যেন মনে হচ্ছে অপেরা মিনি ধীর গতির। মজিলা ফায়ারফক্সের এপিকে ফাইল ডাউনলোড করতে গিয়ে দেখি শুধু এপিকেই ৫০০এমবি+! যদিও একসময় মজিলা ফায়ারফক্স টেস্ট করতে হবে, ক্রোম আর ক্রোমিয়াম আধিপত্যের বাইরে শ‌ুধু ফায়ারফক্সই স্বতন্ত্র। এরপরে চিন্তা করি টর ব্রাউজার চালালে কেমন হয়? সে যে কি মারাত্মক ধীর গতির, মনে হবে আগেরকার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারও এর থেকে বেশি দ্রুত ছিলো। মনে হয় ইদানিং টর প্রজেক্টে কেউ পয়সা দিচ্ছে না বলে ব্যান্ডউইথও কম হয়ে গেছে।

যাইহোক, এখন Kiwi আর ক্রোম দুইটাই রাখতে হচ্ছে আর স্টোরেজ খালি করতে কাজ শেষে রিসেট করে দিতে হচ্ছে। কে জানে কবে এসব ঠিক হবে। Kiwi ও হাজারো বাগে ভরপুর। শেষমেষ ফায়াফক্সই ব্যাবহার করতে হবে। ছবি: ইন্টানেট হতে পাওয়া।

0 Comment:

Post a Comment

আপনার যৌক্তিক মতামত লিখুন...